সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি :: বৈশ্বিক মহামারী কোভিড১৯ সারা বিশ্বে যখন আতংকে র নাম। ঠিক তখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এর জীবনযাত্রা অত্যন্ত দূর্বিষহ, সাধারণ মানুষ জানে না এই কোভিড১৯ কি? কিভাবে এর থেকে নিস্তার পাওয়া যাবে? ঠিক সেই সময়ে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি বাহিনী, প্রতিষ্ঠান, ও স্বেচ্চাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ সরকার কে নানা ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে তারা।
গণসচেতনতা থেকে শুরু করে খাদ্য সহায়তা। প্রত্যেক কাজে অংশ গ্রহন করছে এসব সংগঠন, সন্তান যখন করোনা আক্রান্ত মৃত বাবা লাশ ফেলে পালিয়ে যাচ্ছে ঠিক সেই সময়ে কোন কোন সংগঠন কাধে তুলে নিচ্ছে সেই পিতার লাশ। এভাবেই বিভিন্নভাবে স্বেচ্ছাসেবকগন বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত তাদের প্রতি রইল শ্রদ্বা ও ভালবাসা।
বাংলাদেশের দক্ষিনের একটি ছোট জেলা শহর ঝালকাঠি ৪টি উপজেলা রয়েছে। এই জেলায় ঝালকাঠির সদর উপজেলায় বিভিন্ন স্বেচ্চাসেবী সংগঠন ও মানবিক কর্মীগন নিরলস ভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে জনসাধারণ এর মধ্যে তার মধ্যে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্নপূরণ সমাজকল্যাণ সংস্থা। বাংলাদেশ প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হবার পর ১৯শে মার্চ থেকে সংগঠন এর সভাপতি একটি নির্বাহী মিটিং এ এই দুর্যোগকালীন সময়ে গনসচেতনতামূলক কাজের সিদ্বান্ত গ্রহন করেন এর মধ্যে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া,করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরন,বিনামূল্যে মাক্স বিতরন,সহ অঘোষিত লকডাউন এ বেকার হয়ে পরা জনসাধারণের প্রায় ৫১০টি পরিবারে মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে উক্ত সংগঠন টি বিশেষ সুনাম অর্জন করেন।
মার্চ ২০২০ থেকে এখন পর্যন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সাবন দিয়ে হাত ধোয়া কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি। প্রতি মাসের প্রথম ও শেষ সপ্তাহে মটর বাইক নিয়ে শহরে ঘুড়ে ঘুড়ে বিভিন্ন মসজিদ ও শহরের বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে স্থপিত বেসিনে সবান সরবারহ করে যাচ্ছে । এলাকার বিভিন্ন দাতা মানবিক মানুষ তাদের এই কাজে অর্থ দিয়ে সহায়তা প্রদান করে আসছেন। এ সম্পর্কে অত্র সংগঠন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মানবিক কর্মী এইচ এম রিয়াজ খান অশ্রু জানান, স্বপ্নপূরণ সমাজকল্যাণ সংস্থা মানবতার সেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠত হয়েছে ২০১৬সালে, সেই থেকেই আমরা স্থানীয় পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আমাদের সাধ্যমত দরিদ্র অসহায় মানুষে শিক্ষা, চিকিৎসার জন্য সহায়তা করে যাচ্ছি, প্রতি বছর শীতবস্ত্র, প্রত্যেক ঈদে এতিম অসহায় দের মাঝে ঈদ বস্ত্র প্রদান করে আসছি। ২০২০সাল টি আমাদের নতুন এক শিক্ষা নিয়ে আমাদের মাঝে এসেছে আমরা ইতিমধ্যে প্রায় ৫০০০জনসচেতনতা মূলক লিফলেট, ২৫০০সাবান,১৬০০মাক্স,এবং ৫০২টি পরিবারে ৪লক্ষ ২৯হাজার ৯৬০টাকা র খাদ্য সহায়তা করতে পেরেছি। নিজের জীবন কে ধন্য মনে করছি।
আর আমাদেরকে এই সকল কাজে এলাকার অনেক মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ সহযোগিতা করেছে বিশেষ করে আমার সংগঠন এর সদস্যরা আমার বন্ধু ডাঃ সুপ্তা, আমাদের সংগঠন এর উপদেস্টা মন্ডলী বিশেষ করে জনাব সুলতান হোসেন খান, তালুকদার লিটন, এছাড়াও শরিয়তপুরের এডিশনাল এসপি তানবীর শাওন ভাই, স্বাস্থ্যকর্মকর্তা আবু সোহেল ভাই সহ অনেক ভাল মনের মানুষের দেখা পেয়েছি নাম বলে শেষ করা যাবে না। তাদের প্রতি শ্রদ্বা ও ভালবাসা। আমরা এই কাজ কে চালিয়ে যেতে চাই আজীবন।
এই সপ্তাহজুড়ে সংগঠন এর কর্মীরা শহরের বিভিন্ন মসজিদে ওযু খানায় সাবান বিতরন করায় ব্যস্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠন এর সাধারণ সম্পাদক সুমন সমাদ্দার।